জিমে কিছুটা সময়, আর ভিডিওর সামনে বসে কাটালো রাজ্য রঞ্জি দল! টানা তিন ম্যাচে হেরে দলটা একেবারেই ছন্নছাড়া। এই অবস্থায় সৌরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কতটা ঘুরে দাঁড়াতে পারবে, এনিয়ে শঙ্কা থেকেই গেলো।
শনিবার দুপুর থেকে প্রস্তুতি শিবির হবে বলে জানানো হলেও সেরকম কিছুই এদিন হয় নি। দলনেতা মণিশঙ্কর মুড়াসিং সহ কয়েকজন ক্রিকেটার জিমে কিছুটা সময় কাটান। বাকিদের নিয়ে ভিডিওর সামনে ছিলেন কোচ সত্রাজিৎ লাহিড়ী। প্রথমবারের মতো ত্রিপুরা রঞ্জি দলের কোচের দায়িত্ব নিয়ে একেবারে ল্যাজেগোবরে অবস্থা। তিন ম্যাচে দুটিকে ইনিংসে হার! অন্যটিতে ৯ উইকেটে!
দুপুরে বেশ জোরেই শিবনগর ও ধলেশ্বর এলাকায় এক পশলা বৃষ্টি হলো। ভিজিয়ে দিলো গোটা স্টেডিয়াম ও মাঠ। খানে খানে জল জমে যায়। সৌরাষ্ট্র দল মাঠে বিকেল ৩টায় বৃষ্টি থামার পর। কিন্তু মাঠে নামার মত অবস্থা ছিল না। কিছুটা সময় থেকে তারাও বেরিয়ে যায়।
আজ সকাল দুই দলেরই প্রেকটিস করার কথা। অবশ্য মাঠের অবস্থা ঠিক থাকলে তবেই। আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আগামী কয়েকদিন মেঘের লুকোচুরি থাকবে। সেক্ষেত্রে বৃষ্টিও হতে পারে। এটা ত্রিপুরা শিবিরের কাছে স্বস্তি হলেও সফরকারীদের চাপে রাখবে।
দুই পেশাদার ছেঁটে ফেলে স্থানীয়দের নিয়েই লড়বে রাজ্যদল। স্বপ্নীল শুরু থেকেই আনফিট ছিলেন। তিন ম্যাচের একটাতেও পাওয়া যায় নি। হনুমা একটা ম্যাচে খেলে ফ্লপ করেন। পরের দুই ম্যাচে এই পেশাদারও দলের বাইরে ছিলেন। ফলে ঘরের মাঠে নামার আগে দুজনকেই বিদায় করা হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে – কোন খোঁজ খবর না নিয়ে কেন আনফিট ক্রিকেটারদের ধরে বেঁধে রাজ্য দলের নেয়া হলো? এই নির্বাচন করা করেছেন? সম্পূর্ণ অবিবেচকের মতো এবার পেশাদার নেয়া হলো দলে। তৃতীয় পেশাদার মন্দ্বীপ সিংও প্রথম তিন ম্যাচে সেরকম কিছুই করে দেখাতে পারেন নি।
এম্যাচে পয়েন্ট না পেলে এলিট গ্রুপে ত্রিপুরা থাকতে পারবে কিনা সন্দেহ। শেষের ম্যাচগুলোতে চাপ আরও বাড়বে। জটিল হবে অঙ্ক। তাই এই ম্যাচটা ত্রিপুরা শিবিরের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।


