ক্রোয়েশিয়ার জালে গোল উৎসব করলেন হ্যারি কেইন, বুকায়ো সাকারা! ৭ গোলের বিশাল এক জয় পেল ইংল্যান্ড! প্রতিপক্ষের মাঠে উয়েফা নেশন্স লিগের ম্যাচটি সহজেই জিতলো টমাস টুখেলের দল।
নিজেদের ইতিহাসে ক্রোয়েশিয়ার সবচেয়ে বড় হার এটিই। দলটির আগের বড় হার ছিল ৬-০ গোলে, ২০১৮ সালে স্পেনের বিপক্ষে, বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলার দুই মাস পরে। ইংল্যান্ডের হয়ে দুটি করে গোল করেছেন অধিনায়ক কেইন ও সাকা। একবার করে জালের দেখা পেয়েছেন জুড বেলিংহ্যাম, অ্যান্থনি গর্ডন ও মর্গ্যান রজার্স।
স্পেনের বিপক্ষে হারে আসর শুরুর পর টানা দ্বিতীয় জয় পেল ইংল্যান্ড। তিন ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে ‘এ’ লিগের তিন নম্বর গ্রুপে দুইয়ে আছে তারা। ৩ পয়েন্ট নিয়ে তিনে ক্রোয়েশিয়া। দুই ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে স্পেন। দুই ম্যাচেই হেরেছে চেকিয়া।
ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে সবকিছুতেই আধিপত্য দেখায় ইংল্যান্ড। ৬৩ শতাংশের বেশি সময় বল দখলে রেখে গোলের জন্য ১৯টি শট নিয়ে ১০টি লক্ষ্যে রাখে। স্বাগতিকদের ১২ শটের কেবল একটি লক্ষ্যে ছিল।
অষ্টম মিনিটেই এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। বেলিংহ্যামের পাস থেকে বক্সে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে জোরাল শটে জালে পাঠান কেইন। ২১ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন বেলিংহ্যাম। বাঁ দিকের বাইলাইনের কাছ থেকে গর্ডনের চমৎকার পাসে কাছের পোস্ট দিয়ে লক্ষভেদ করেন রিয়াল মাদ্রিদ মিডফিল্ডার।
৩৯ মিনিটে জালের দেখা পান গর্ডন। ডান দিক থেকে জ্যারেল কুয়ান্সার ক্রস এক
ড্রপের পর ছয় গজ বক্সের মুখ থেকে হেডে জালে পাঠান বার্সেলোনা উইঙ্গার। প্রথমার্ধের নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে স্কোরলাইন ৪-০ করেন সাকা। বাঁ দিক থেকে বেলিংহ্যামের পাসে কাছ থেকে গোলটি করেন তিনি।
এই গোলের আগে দারুণ এক সুযোগ হারান ক্রোয়েশিয়ার মাতেও কোভাচিচ। বক্সে কয়েকজনের বাধা এড়িয়ে পোস্ট ফাঁকা পেয়েও অবিশ্বাস্যভাবে বাইরে মারেন তিনি।
বিরতির পর ৫৩ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন কেইন। ইংল্যান্ডের রেকর্ড গোলস্কোরারের গোল হলো ৮৯টি, ১২৪ ম্যাচে। ৬৮ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলের দেখা পান সাকাও। আর কেইনের বদলি নেমে নির্ধারিত সময়ের তিন মিনিট বাকি থাকতে ক্রোয়েশিয়ার কফিনে সপ্তম পেরেক ঠুকে দেন রজার্স।


