প্রত্যাশিত ভাবেই লিড হাতছাড়া কর্নাটকের কাছে। শুধু তাই না, এখন বড় রানের চাপে পড়তে চলেছে ত্রিপুরা রঞ্জি দল। ফলে পরাজয়ের হ্যাটট্রিকের হাতছানি বলা যায়। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট হাতে রুখে দাঁড়াতে না পারলে টানা তৃতীয় হার দেখতে হতে পারে রাজ্য দলকে।
মাইসোরের এস ডি এন আর ডাবলু মাঠে দ্বিতীয় দিনের শেষে স্বাগতিক কর্ণাটক লিড নিয়ে এগিয়ে রয়েছে ১০৩ রানে। হাতে রয়েছে আরও ৩ উইকেট। ত্রিপুরার ব্যাটসম্যানরা যে অফফর্মে রয়েছেন তাতে স্বাগতিক দল এম্যাচে চালকের আসনে বললে ভুল বলা হবে না।
রাজ্য দলের গড়া ১৯৪ রানের জবাবে কর্ণাটক দ্বিতীয় দিনের শেষে প্রথম ইনিংসে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৯৭ রান করে। প্রথম দিনের শেষে ১ উইকেট হারিয়ে স্বাগতিকদের ঝুলিতে ছিল ১০ রান। মঙ্গলবার সকালে রাজ্যদলের বোলাররা ঠান্ডা মাথায় মোকাবেলা করে স্বাগতিকরা প্রথমে লিড নেয় এবং পরে স্কোর বড় করে নেয়। লক্ষ্য একটাই সরাসরি জয় ছিনিয়ে নেয়া।
টিম মুড়ার বোলারদের আগ্রাসন থাকলেও তা ঠান্ডা মাথায় মোকাবেলা করে কর্ণাটক। একই উইকেটে ২০০ রান করতে গিয়ে যেখানে রাজ্যদলের ব্যাটসম্যানদের নাকানি চুবানি খেতে হয়েছে, সেই উইকেটে পড়ে থেকে স্কোরটা ৩০০-এর কাছে নিয়ে যায় কর্নাটকের ব্যাটসম্যানরা। এদের থেকে ত্রিপুরার ছেলেরা কিছু শিখল কিনা জানা নেই। তবে শেখা উচিত। রাজ্যদলের বোলারদের তেমন কোনও সমস্যায় ফেলতে দেয় নি কর্নাটকিরা। দলকে টেনে নিয়ে যান অভিজ্ঞ ওপেনার রোহন পাটিল, করুণ নায়ার এবং কে ভি আনিস। বোলারদের ঠান্ডা মাথায় মোকাবেলা করে দ্বিতীয় দিনের শেষে মোট ৯৫ ওভার ব্যাট করে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৯৭ রান তোলে। রোহন ১৩০ বল-এ ৯টি বাউন্ডারির সাহায্যে ৭২, অনিশ ১৪২ বল-এ ৬টি বাউন্ডারির সাহায্যে ৬৮, করুণ নায়ার ৮৫ বল-এ ৮টি বাউন্ডারির সাহায্যে ৬৩, অন্নেশ্বর ৭৫ বল-এ ২টি বাউন্ডারি ও ২টি ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ৩৩ এবং শ্রেয়স গোপাল ৩৯ বল-এ ১টি বাউন্ডারির সাহায্যে ১৯ রান করেন। ত্রিপুরার অভিজিৎ সরকার ৫৯ রানে ৩টি, পারভেজ সুলতান ৭৪ রানে এবং সন্দীপ সরকার ৮৩ রানে ২টি করে উইকেট ভাগ করেন।
তৃতীয় দিনের শুরুতে কর্নাটকের ল্যাজ দ্রুত ছেঁটে দিতে না পারলে ম্যাচ বাঁচানো কঠিন হয়ে দাঁড়াতে পারে। তবে ম্যাচটা যে জায়গায় দাঁড়িয়ে এতে রাজ্যদলের ক্রিকেটাররা ব্যাট হাতে লড়তে পারলে ১ পয়েন্ট পাওয়া অসম্ভব হবে না।


