ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে গত মরশুমে গোলের বন্যা বইয়ে দিয়ে অসাধারণ এক স্বীকৃতি পেলেন হ্যারি কেইন। লামিন ইয়ামাল ও কিলিয়ান এমবাপেকে পেছনে ফেলে প্রথমবারের মতো ব্যালন দ’র জিতলেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক।
লন্ডনের প্যালাডিয়াম থিয়েটারে জমকালো অনুষ্ঠানে বায়ার্ন মিউনিখ স্ট্রাইকারের হাতে তুলে দেওয়া হয় ফরাসি সাময়িকী ‘ফ্রান্স ফুটবল’-এর পুরস্কার, ব্যালন দ’র ২০২৬।
৩৩ বছর বয়সি এই ফুটবলারের হাতে পুরস্কারটি তুলে দেন দুইবারের ব্যালন দ’র জয়ী ও কিংবদন্তি ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার রোনালদো।
দুই যুগ পর বর্ষসেরার মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কার জিতলেন কোনো ইংলিশ ফুটবলার। সবশেষ ২০০১ সালে জিতেছিলেন মাইকেল ওয়েন।
সব মিলিয়ে পুরস্কারটি জয়ী পঞ্চম ইংলিশ ফুটবলার কেইন। ১৯৫৬ সালে ইতিহাসের প্রথম ব্যালন দ’র জেতেন দেশটির কিংবদন্তি স্যার স্ট্যানলি ম্যাথিউস। ১৯৬৬ সালে স্যার ববি চার্লটন, ১৯৭৮ সালে কেভিন কিগান পান এই স্বীকৃতি। এই বছর পুরস্কারটি জয়ের জন্য অনেকেই এগিয়ে রাখছিলেন কেইনকে। ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে গত মরশুমে ইংলিশ তারকা ৬৫ ম্যাচে গোল করেন মোট ৭৩টি, সঙ্গে অ্যাসিস্ট আটটি।
বায়ার্ন মিউনিখের বুন্ডেসলিগা ও জার্মান কাপ জয়ে তিনি রাখেন বড় অবদান, ক্লাবের হয়ে গোল করেন ৬১টি, আর জাতীয় দলের হয়ে ১২টি। ২০২৬ বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনাল থেকে বিদায় নেয় তার দল। বর্ষসেরা স্ট্রাইকারের পুরস্কারও জিতেছেন কেইন। তৃতীয়বারের মতো মেয়েদের ব্যালন দ’র জিতেছেন বার্সেলোনা অধিনায়ক আলেক্সিয়া পুতেয়াস। গত মরশুমে ক্লাবের চার শিরোপা জয়ে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন এই স্প্যানিশ মিডফিল্ডার।
সাবেক ক্লাব সতীর্থ আইতানো বনমাতির সবচেয়ে বেশিবার পুরস্কারটি জয়ের রেকর্ড স্পর্শ করলেন পুতেয়াস। গত তিন বছর টানা জিতেছিলেন বনমাতি। পুতেয়াস এর আগে জিতেছিলেন ২০২১ ও ২০২২ সালে।


