রঞ্জি ট্রফির এলিট গ্রুপ ‘বি’-র ম্যাচে মাইসোরের এসডিএনআর ওয়াদিয়ার স্টেডিয়ামে স্বাগতিক কর্ণাটকের বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে ১৯৪ রানে করে ত্রিপুরা। জবাবে প্রথম দিনের শেষে কর্ণাটক ১ উইকেট হারিয়ে ১০ রান সংগ্রহ করেছে। টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় কর্ণাটক।
শুরুটা ভালো হলেও মাঝপথে খেই হারিয়েছে ত্রিপুরা। প্রথম সেশনে ভালো অবস্থানে থাকার পরও বড় স্কোর খাড়া করতে না পারাটা হতাশার। ওপেনার বিক্রমকুমার দাস দুর্দান্ত লড়াই করে ৫১ রানের একটি দায়িত্বশীল ইনিংস খেলেন। প্রথম সেশনে কর্ণাটকের নতুন বলের ফায়দা তুলে ত্রিপুরা একসময় ২ উইকেটে ৮৮ রান তুলে বেশ ভালো অবস্থানে ছিল। সেই ছন্দ ধরে রাখতে পারেনি মিডল অর্ডার। বাবুল দে (২৩) এবং শ্রীদাম পাল (৭) দ্রুত সাজঘরে ফেরেন। শেষদিকে বিক্রম দেবনাথের অপরাজিত ৩৩ রানের লড়াকু ইনিংসের ওপর ভর করে দল ১৯৪ রান পর্যন্ত পৌঁছাতে সক্ষম হয়।
প্রথম দিন শেষ হওয়ার ঠিক আগে কর্ণাটকের তারকা ওপেনার মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে আউট করে বড় ধাক্কা দিয়েছে ত্রিপুরা। দ্বিতীয় দিনের সকালে দ্রুত কিছু উইকেট তুলে নিয়ে কর্ণাটককে চাপে ফেলাই এখন প্রধান লক্ষ্য।
বোলারদের অনবদ্য প্রত্যাবর্তন চালকের আসনে বসিয়েছে কর্ণাটককে। প্রথম সেশনে কিছুটা খেই হারালেও যেভাবে বোলাররা ম্যাচে ফিরেছেন, তা প্রশংসনীয়। কর্ণাটকের প্রধান নায়ক বাঁহাতি স্পিনার শিখর শেঠি। তিনি ৫৪ রান খরচ করে একাই ৫টি উইকেট তুলে নেন এবং ত্রিপুরার ব্যাটিং মেরুদণ্ড ভেঙে দেন। প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে এটি তার তৃতীয় ফাইফার (৫ উইকেট)। শিখর শেঠিকে যোগ্য সংগত দেন মনবন্থ কুমার। তিনি মাত্র ২৩ রান দিয়ে ৩টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট শিকার করেন। প্রথম ইনিংস শেষ হওয়ার পর দিনের বাকি থাকা ৬ ওভারে কর্ণাটক মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে হারিয়ে ১০ রান তুলেছে। ১৮৪ রানে পিছিয়ে রয়েছে।


