রঞ্জি ট্রফির এলিট ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচে কর্ণাটকের বিরুদ্ধে সরাসরি হার এড়াতে লড়ছে ত্রিপুরা। এসডিএনআর ওয়াদিয়ার স্টেডিয়ামে বুধবার ম্যাচের তৃতীয় দিনে অনিশ্বর গৌতমের দুর্দান্ত শতরানের ওপর ভর করে কর্ণাটক তাদের প্রথম ইনিংসে পাহাড়প্রমাণ রান তুলে শক্ত অবস্থানে পৌঁছে গেছে। বিশাল রানের বোঝা মাথায় নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে ত্রিপুরার ব্যাটাররা।
দ্বিতীয় দিনের ৭ উইকেটে ২৯৭ রান নিয়ে খেলতে নেমে তৃতীয় দিনে কর্ণাটকের লোয়ার-অর্ডার ব্যাটাররা ত্রিপুরার বোলারদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করেন। নিজের মাত্র দ্বিতীয় রঞ্জি ম্যাচ খেলতে নামা অনিশ্বর গৌতম অসাধারণ এক ইনিংস খেলেন। তিনি ২০১ বলে ৫টি চার ও ২টি ছয়ের সাহায্যে ১০০ রান করে অপরাজিত থাকেন। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন মানবন্ত কুমার, ৫১ রানের একটি ঝোড়ো ও সাবলীল ইনিংস খেলেন। শেষ পর্যন্ত কর্ণাটক তাদের প্রথম ইনিংস ৯ উইকেটে ৪৯০ রানে ইনিংস সমাপ্তির ঘোষণা দেয়। এর ফলে স্বাগতিক রাজ্যদল ২৯৬ রানের বিশাল লিড পায়।
২৯৬ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামে ত্রিপুরা। মাইসোরের এই মন্থর ও শান্ত পিচে কর্ণাটকের বোলারদের শুরুতেই উইকেট নেওয়ার পরিকল্পনা ধাক্কা খায়। ত্রিপুরার ব্যাটাররা বেশ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কর্ণাটকের বোলিং আক্রমণ সামাল দেন। দিনের খেলা শেষ হওয়া পর্যন্ত ত্রিপুরা ৩৮ ওভার ব্যাট করে ৩ উইকেটের বিনিময়ে ৯৮ রান সংগ্রহ করেছে।
ত্রিপুরা (১ম ইনিংস): ১৯৪/১০
কর্ণাটক (১ম ইনিংস): ৪৯০/৯ (ডি.)
ত্রিপুরা (২য় ইনিংস): ৯৮/৩ (৩৮ ওভার)
ম্যাচটি বাঁচাতে হলে চতুর্থ দিনে ত্রিপুরাকে আরও বড় পার্টনারশিপ গড়তে হবে। তারা এখনও কর্ণাটকের চেয়ে ১৯৮ রানে পিছিয়ে রয়েছে। অন্যদিকে, প্রথম জয় তুলে নিতে চতুর্থ তথা শেষ দিনে কর্ণাটকের প্রয়োজন দ্রুত ৭টি উইকেট।


