প্রহসন আর কাকে বলে! রঞ্জি’র লড়াইয়ে প্রস্তুতি নেয়ার সময় গড়িয়ে ছলছে। এখনও পেশাদার ক্রিকেটারের দেখা নেই! রাজ্য ক্রিকেটের কর্তারা এখনও পেশাদার নির্বাচনের পলিসি নিয়ে কচকচানি চালিয়ে যাচ্ছেন!
পেশাদার ইস্যুতে দ্বিধাবিভক্ত রাজ্য ক্রিকেট সংস্থার কর্তারা। ১১ অক্টোবর থেকে রঞ্জি মরশুম শুরু করতে চলেছে রাজ্য। হাতে আর মাত্র এক মাস ও সামান্য কদিন বাকি। এখনও তিনজন পেশাদার ক্রিকেটার বাছাই শেষ হয় নি। প্রথম ধাপে রাজ্য সংস্থা থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল পেশাদারের বয়স অনূর্ধ্ব ৩০ হতে হবে। কিন্তু ভালো মানের ক্রিকেটার না পাওয়ার আবার ৩০ ঊর্ধ্ব ক্রিকেটার চেয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। তা নিয়েই বর্তমানে দ্বিধা বিভক্ত রাজ্য সংস্থার কর্তারা। প্রশ্ন উঠেছে, বুড়ো ঘোড়াদের কেনও নেওয়ার চেষ্টা চলছে রাজ্যদলে? গত বছর বিজয় শংকর, স্বপ্নীল সিং-রা কিছুই দিতে পারেননি। বিশ্বস্ত সূত্রে খবর, বেশ কয়েকজন প্রাক্তন ক্রিকেটার এবার মুখ খুলেছেন কেনও রাজ্যদলে বুড়োদের নিয়োগ নিয়ে। যত ওটুকু খবর, এবারও বুড়ো ক্রিকেটার নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। ইতিমধ্যে স্বপ্নীল সিং এবং মনদীপ সিং এর নাম প্রায় পাকা হয়ে গেছে। যাকে আই পি এলে প্রথম একাদশে রাখা হয়নি সেই স্বপ্নীল’কে নিয়ে মাতামাতি ত্রিপুরার। অথচ এবছর ঘরোয়া ক্রিকেটে দুরন্ত ফর্ম দেখিয়ে গেছেন দিল্লির লক্ষ কুমার টি। এক ম্যাচে দ্বি শতরান করার পাশাপাশি ৩টি শতরান করেছিলেন। মরশুমে সর্বাধিক রান করার গৌরব তার দখলে। দিল্লির হয়ে তিনটি রঞ্জি ম্যাচ খেলা এই উইকেট রক্ষক ব্যাটসম্যানটি ধারাবাহিক ভাবে সফল হন। লক্ষ’কে দলে নেওয়া হলে উইকেট রক্ষকের সমস্যাও কমে যেতো। কিন্তু সেই পথে হাঁটতে নারাজ তথাকথিত কর্তারা। প্রশ্ন উঠেছে ঘরোয়া ক্রিকেটে সেরা পারফরম্যান্স করা সত্বেও কেনও ত্রিপুরা দলের সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে না ঐ সফল ক্রিকেটারকে। প্রাক্তন ক্রিকেটারদের মতে এখন পর্যন্ত যে সকল ভিন রাজ্যের ক্রিকেটার ত্রিপুরায় বিভিন্ন লিগে খেলতে এসেছেন তার মধ্যে লক্ষ সবথেকে ফিট। তাকে সুযোগ দেয়া যেতেই পারে? শেষ পর্যন্ত জোড়াতালি দিয়ে তিনজন হয়তো বেছে নেয়া হবে। এতে রাজ্যের লাভ কতটা হবে এনিয়ে প্রশ্ন থেকে যাবে।


