শ্রেয়াস আয়ারের অধিনায়কত্বে সদ্য সমাপ্ত জিম্বাবোয়ে সফরে ৩ ম্যাচের টি-২০ সিরিজে জিম্বাবোয়েকে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করেছে ভারত। আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ড সফরের ব্যর্থতা কাটিয়ে এই সিরিজে তরুণ টিম ইন্ডিয়া আবার জয়ের ধারায় ফিরে এসেছে।
সিরিজের ম্যাচগুলোর ফলাফল:
২৩ জুলাই প্রথম ম্যাচ- জিম্বাবোয়ের স্কোর ১২৬/৩ (১৩.২ ওভার), ভারতের স্কোর ১২৫/৭ (২০ ওভার)। ভারত ৭ উইকেটে জয়ী।
২৫ জুলাই দ্বিতীয় টি-২০ ভারত ২১৯/৫ (২০ ওভার), জিম্বাবোয়ে ১২৯/১০ (১৭.৫ ওভার)। ভারত ৯০ রানে জয়ী।
২৬ জুলাই তৃতীয় টি-২০ ভারত ১৯২/৫ (২০ ওভার), জিম্বাবোয়ে ১৫৭/৭ (২০ ওভার)। ভারত ৩৫ রানে জয়ী।
সিরিজের মূল আকর্ষণ ও ইতিবাচক দিক হলো বৈভব সূর্যবংশীর বিশ্বরেকর্ড। মাত্র ১৫ বছর বয়সী বাঁহাতি ওপেনার বৈভব সূর্যবংশী এই সিরিজে দুর্দান্ত ব্যাটিং উপহার দিয়েছেন। প্রথম ম্যাচে মাত্র ১৯ বলে এবং শেষ ম্যাচে ৪৯ বলে ৮১ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন তিনি। আন্তর্জাতিক টি-২০ ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ ব্যাটার হিসেবে হাফ-সেঞ্চুরি করার রেকর্ড গড়ে তিনি ‘প্লেয়ার অব দ্য সিরিজ’ নির্বাচিত হন। জাতীয় দলে ফিরে ঈশান কিষান দ্বিতীয় ম্যাচে ৪৪ বলে ৮১ রানের একটি দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন। একই ম্যাচে তিলক বর্মাও মাত্র ২৯ বলে অপরাজিত ৬০ রান করে ভারতের বিশাল রান সংগ্রহে অবদান রাখেন। চোট সারিয়ে ২১ মাস পর দলে ফিরে মায়াঙ্ক যাদব বল হাতে আগুন ঝরিয়েছেন। প্রথম ও তৃতীয় ম্যাচের ইনিংসের একেবারে প্রথম বলেই উইকেট নেওয়ার এক অনন্য নজির গড়েন তিনি। পুরো সিরিজে তিনি ৫টি উইকেট শিকার করেন। সিরিজে দাপুটে জয় পেলেও ভারতের ফিল্ডিং নিয়ে বেশ সমালোচনা হয়েছে। বিশেষ করে সিরিজের শেষ ম্যাচে ভারতীয় ফিল্ডাররা মোট ৫টি ক্যাচ মিস করেন, যা যেকোনো আন্তর্জাতিক টি-২০ ম্যাচে ভারতের যৌথভাবে সর্বোচ্চ ক্যাচ মিসের রেকর্ড। এছাড়া তরুণ অলরাউন্ডার প্রিন্স যাদবের হ্যামস্ট্রিং ইনজুরিও দলের জন্য কিছুটা উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।


