বুধবার সকালে শহরে পা রাখছেন সোনার মেয়ে অস্মিতা দে। আগরতলা পৌঁছতেই বিমানবন্দরের লাউঞ্জে দেওয়া হবে তাকে স্বাগত জানানো হবে। অস্মিতার সফর নিয়ে মঙ্গলবার ক্রীড়া দপ্তরের হয় চূড়ান্ত বৈঠক। অধিকর্তা এল ডার্লং-এর সভাপতিত্বে সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিভিন্ন দায়িত্বে থাকা অফিসারদের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিমানবন্দরের লাউঞ্জ উপস্থিত থাকবেন ক্রীড়া দপ্তরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, শারীর শিক্ষক এবং বিভিন্ন মন্ডলের কর্তারা। প্রায় ১০০টি বাইকের সামনে হুটখোলা গাড়িতে থাকবেন গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমসে সোনার পদক জয় করে ইতিহাস গড়া দক্ষিণ ত্রিপুরার মেয়েটি। বাইক রেলী করে অস্মিতাকে নিয়ে আসা হবে আগরতলা স্টেট গেস্ট হাউসে। সেখানে কিছুক্ষণ বিশ্রাম করার পর শহরের বিভিন্ন পথ ধরে নিয়ে আসা হবে রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে। সেখানেই রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সংবর্ধনা জানানো হবে অস্মিতাকে। সঙ্গে থাকার কথা অস্মিতার কোচ যশপাল সোলাঙ্কি। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে থাকার কথা মুখ্যমন্ত্রী ড. মানিক সাহা, ক্রীড়ামন্ত্রী টিংকু রায়, পুরপিতা দীপক মজুমদার, ক্রীড়া দপ্তরের সচিব তাপস রায় এবং অলিম্পিয়ান পদ্মশ্রী দীপা কর্মকার। সংবর্ধনা শেষে ক্রীড়া দপ্তরের সহযোগিতায় অস্মিতা চলে যাবেন দক্ষিণ ত্রিপুরার বিলোনিয়া মহকুমার দক্ষিণ সোনাইছড়ির নিজ বাড়িতে। সেখানে এক রাত থাকার পর পরের দিন চলে যাবেন ভূপালে। রবীন্দ্র ভবনের অনুষ্ঠানে রাজ্য জুডো সংস্থার পক্ষ থেকেও সংবর্ধনা জানানো হবে সোনার মেয়েকে। তবে আগামীদিনে অস্মিতাকে এক আরম্বর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ফের সংবর্ধনা দেবে জুডো সংস্থা। অস্মিতা সঙ্গে কথা বলেই আগামী দিনের চূড়ান্ত দিনক্ষণ ঠিক করা হবে। প্রসঙ্গত গ্লাসগোতে অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ গেমসে ৪৮ কেজি বিভাগে প্রথম ভারতীয় মহিলা জুডোকার হিসেবে স্বর্ণপদক জয় করেন অস্মিতা। ২০১৮ সালে ত্রিপুরা স্পোর্টস স্কুল থেকে উন্নত প্রশিক্ষণের জন্য ভূপালে চলে গিয়েছিলেন সোনার মেয়েটি। ২০২৩ সালে উত্তর প্রদেশ পুলিশে চাকরি পেয়েছিলেন।


