১১ অক্টোবর থেকে রঞ্জি মরশুম শুরু। এবছর ত্রিপুরা রয়েছে শক্তিশালী গ্রুপে। খেলতে হবে হায়দ্রাবাদ, আসাম, কর্ণাটক, সৌরাষ্ট্র, পাঞ্জাব এবং ছত্তিশগড়। হাতে সময় একেবারেই কম। এরপরেও রাজ্য ক্রিকেট সংস্থার কর্তারা ঘুমে রয়েছেন! বিভিন্ন রাজ্য যখন জাতীয় আসরে ভালো ফলাফলের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে এক মাস আগেই, সেখানে ত্রিপুরার পেশাদার ক্রিকেটারই বাছাই হয় নি! এতে আসন্ন মরশুমে রাজ্যদল কতটা ভালো ফলাফল করতে পারবে জাতীয় আসরে তা নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে। ১১-১৪ অক্টোবর হায়দ্রাবাদে ওই রাজ্যের বিরুদ্ধে, ১৮-২১ অক্টোবর আসামে ওই রাজ্যের বিরুদ্ধে, ২৬-২৯ অক্টোবর কর্নাটকে ওই রাজ্যের বিরুদ্ধে, ২-৫ নভেম্বর ত্রিপুরায় সৌরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে, ১৭-২০ নভেম্বর ত্রিপুরায় পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে, ২৪-২৭ জানুয়ারি ত্রিপুরায় অন্ধপ্রদেশের বিরুদ্ধে এবং ১-৪ ফেব্রুয়ারি গ্রুপ লিগে নিজেদের শেষ ম্যাচে ছত্তিশগড়ে গিয়ে ওই রাজ্যের বিরুদ্ধে খেলবে রাজ্যদল। বর্তমানে রাজ্য সিনিয়র আসর এখনও শেষ হয়নি। বৃষ্টির জন্য ঝুলে রয়েছে ওই আসর। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এই মাসের শেষ সপ্তাহে হবে রাজ্য আসরের ফাইনাল ম্যাচ। ফলে জাতীয় আসরের জন্য প্রস্তুতি শুরু করতে হলে সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম ছাড়া সম্ভব নয়। ফলে একমাসও ঠিকভাবে অনুশীলন করতে পারবেন না সিনিয়র দলের ক্রিকেটাররা। ওই অবস্থায় জাতীয় আসরে মরশুমে কতটা ভালো ফলাফল? এবছর রঞ্জি টিমের কোচ নিয়েও সিদ্ধান্ত হয় নি! সত্রাজিত লাহিড়ীকে নিয়ে দরাদরি চলছে। পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে স্বপ্নীল সিং-এর থাকার সম্ভাবনা। বাকি দুই ক্রিকেটার খুঁজে পাচ্ছে না রাজ্য সংস্থা। তিন দফায় পেশাদার ক্রিকেটার নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি হলেও ভালো মানের কোনও ক্রিকেটার এরাজ্যের হয়ে খেলতে আগ্রহী প্রকাশ করছে না। সূত্রে খবর, মন্দীপ সিংকে পুনরায় খেলানোর জন্য চেষ্টা করিয়ে চলছেন রাজ্য সংস্থার কর্তারা। ফলে পেশাদার ক্রিকেটার নির্বাচন করতে আরও বেশ কয়েকদিন সময় লাগবে। সব মিলিয়ে তালগোল পাকিয়ে রয়েছে রঞ্জি দল গঠন নিয়ে।


