দীর্ঘ এক যুগ পর দলিপ ট্রফি ঘরে তুলতে চলেছে পূর্বাঞ্চল বড় কোন অঘটন না ঘটলে চতুর্থ দিনে পূর্বাঞ্চলের এই ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণ শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা। তৃতীয় দিনের শেষে ট্রফি তাকিয়ে রয়েছে পূর্বাঞ্চলের দিকেই। চেন্নাইয়ের চিপকের এম এ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে পূর্বাঞ্চলের ৭০৮ রানের পাহাড় সমান লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমে তৃতীয় দিনের শেষে দক্ষিণাঞ্চল প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেটে ২৪২ স্কোর বোর্ডে। পূর্বাঞ্চল এখনো ৪৬৬ রানে এগিয়ে রয়েছে। ট্রফি ঘরে তোলার জন্য আর মাত্র চারটি উইকেট তাদের প্রয়োজন। চতুর্থ দিনে ৪৬৬ রান করে লিড নেওয়া দক্ষিণাঞ্চলের কাছে একেবারে আকাশ কুসুম কল্পনার মত। তৃতীয় দিনের সকালে দক্ষিণাঞ্চল প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় ওপেনার রীতি ভুইকে (১) হারিয়ে। মুকেশ কুমারের এই ধাক্কা সামলে উঠে দ্বিতীয় উইকেটে দলের স্কোরকে ১০ রান থেকে ৭০ রান পর্যন্ত নিয়ে যান নারায়ন জগদিশান এবং দেবদত্ত পারিক্কল। নারায়ণ ৪২ বলে ৪ টি চারের সাহায্যে ৩২ রান যোগ করেন। এই জুটি ভাঙ্গার পর উইকেটের এক প্রান্ত আগলে রাখেন পারিক্কল। শেখ রাশিদ ৪৮ বলে ৫ টি চারের সাহায্যে ২৭ রান যোগ করার মাঝে উইকেট দিয়ে বসেন মহম্মদ সামিকে। কিন্তু দুর্ভাগ্য পারিক্কল ও দীর্ঘ সময় উইকেটে দাঁড়াতে পারেননি। ১০৪ বলে ৪ টি চারের সাহায্যে ৬২ রান যোগ করার মাঝে তিনি ও উইকেট দিয়ে বসেন মুকেশ কুমারকে। দলের ১২৬ ও ১২৯ রানের পরপর দুটি উইকেটের পতন ঘটে। এইরকম পরিস্থিতিতে দিনের শেষ পর্যন্ত একা লড়াই চালিয়ে যান দলনেতা তিলক ভার্মা। রবিচন্দন ৫৫ বলে ২৩ এবং শ্রেয়াস গোপাল ৭৯ বলে ২৬ রান যোগ করেন। দিনের শেষে ১৩৩ বলে ৫ টি চারের সাহায্যে ৫৬ রান করে অক্ষত থেকে চান অধিনায়ক তিলক ভার্মা। এদিন দক্ষিণাঞ্চলের স্কোর থামে ৬ উইকেটে ২৪২ রানে। পূর্বাঞ্চলের পক্ষে মোঃ সামি এবং মুকেশ কুমার দুটি করে উইকেট নেন একটি করে উইকেট নেন কৌনিন কুরেশি এবং শিখর মোহন। ত্রিপুরার অভিজিৎ সরকার ৮ ওভার বোলিং করে ৩৪ রান খরচ করেন।


