নাইডু ত্রিপুরা দল ঘরের মাঠে বিধ্বস্ত হলো। চার দিনের ম্যাচ শেষ হয়ে গেলো পৌনে তিন দিনে! ত্রিপুরা হারলো ৩৯৩ রানের বড় ব্যবধানে। অনূর্ধ্ব ২৩ কর্নেল সিকে নাইডু ট্রফি ক্রিকেটে পুলিশ ট্রেনিং একাডেমি মাঠে হরিয়ানার ৩৩৯ রানের জবাবে ত্রিপুরা প্রথম ইনিংসে ১৬৩ রান করেছিল। ১৭৬ রানে এগিয়ে থেকে হরিয়ানা দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ উইকেট হারিয়ে ৪২৩ রান করেন। জয়ের জন্য ৬০০ রানের লক্ষ্য মাত্রা নিয়ে খেলতে নেমে রাজ্যদল দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ২০৬ রান করতে সক্ষম হয়।
দ্বিতীয় দিনের চার উইকেট এর ২১৫ রান নিয়ে খেলতে নেমে বুধবার শুরু থেকে রাজ্যাডলের বোলারদের উপর আক্রমণ শানায় সফররত দলের ব্যাটসম্যানরা। দুই ব্যাটসম্যান দীনেশ বানা এবং মুকেশ মুদগিল বোলারদের রীতিমতো শাসন করেন। ওই দুই ব্যাটসম্যানের দাপটে হরিয়ানা ৬ উইকেটে ৪২৩ রান করে ইনিংসের সমাপ্তি ঘোষনা করে। যে উইকেটে ত্রিপুরার ব্যাটসম্যানরা লুটিয়ে পড়েছিলেন সেই উইকেটে রানের বন্যায় ভাসালেন হরিয়ানার ব্যাটসম্যানরা! দীনেশ ১২১ বল-এ সাতটি বাউন্ডারি ও চারটি ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ১১৩ এবং মুকেশ ৯৯ বল-এ পাঁচটি বাউন্ডারি ও একটি ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ৮০ রান করেন। এছাড়া ভরত যাদব ২৩ বল-এ দুটি বাউন্ডারি সাহায্যে ২৩ রান করেন। এর আগে দ্বিতীয় দিনে শতরান করেছিলেন যুবরাজ সিং। যুবরাজ ১১০ বল-এ সাতটি বাউন্ডারি ও ছয়টি ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ১১৪ এবং আরশ রাঙ্গা ৪৫ বল-এ পাঁচটি বাউন্ডারি ও তিনটি ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ৫১ রান করেছিলেন। ত্রিপুরার দুর্লভ রায় ৪১ রানে এবং অর্কজিত রায় ৪৯ রানে দুটি করে উইকেট ভাগ করেন। বিশাল ৬০০ রানের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে খেলতে নেমে শুরু থেকেই উইকেট হারাতে থাকে রাজ্যদল। দলনায়ক আনন্দ ভৌমিক প্রতিরোধ গড়ে তোলায় মান কিছুটা রক্ষা হয়। রাজ্যদল দ্বিতীয় ইনিংসে ২০৬ রান করতে সক্ষম হয়। আনন্দ ৯১ বল-এ ১৭টি বাউন্ডারি ও ৪টি ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ১২২ রান করেন। এছাড়া দীপজয় দেব ৬১ বল-এ ৩টি বাউন্ডারির সাহায্যে ৩১ এবং পাউরুশ মিশ্র ১৩ রান করেন। হরিয়ানার আরব সেটিয়া ৮১ রানে ৮টি উইকেট দখল করেন। ১৯-২২ অক্টোবর ত্রিপুরা মরশুমে দ্বিতীয় ম্যাচ খেলবে কর্ণাটকের বিরুদ্ধে। কর্ণাটকে হবে ম্যাচটি।
৩৯৩ রানের বিশাল ব্যবধানে হার! ঘরের মাঠে বিধ্বস্ত নাইডু ত্রিপুরা!
Date:
Share post:


