বত্রিশের বাধা অনায়াসে পার হওয়ার পর, শেষ ষোলোয় প্যারাগুয়েকে হারাতে ভুগতে হয় ফ্রান্সকে। শক্তিনির্ভর ফুটবল খেলা প্রতিপক্ষকে তারা হারায় কিলিয়ান এমবাপের সফল স্পট কিকে। এবার ফরাসিদের প্রতিপক্ষ মরক্কো। ফ্রান্সের সহকারী কোচ গি স্টিফোঁর মনে হচ্ছে, আফ্রিকার দলটির বিপক্ষে ভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে তাদের। ১০ জুলাই সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে দুই দেশ। এ ম্যাচের আগে বেশ কিছু বিষয় নিয়ে দুর্ভাবনায় আছে ফ্রান্স। মার্কাস থুরাম চোট কাটিয়ে সোমবার অনুশীলনে ফিরলেও, অহেলিয়া চুয়ামেনিকে নিয়ে রয়েছে অনিশ্চয়তা। প্যারাগুয়ে ম্যাচে হলুদ কার্ড পাওয়া মাইকেল ওলিসে আরেক দুঃশ্চিন্তার কারণ। অবশ্য ফরাসি ফুটবল ফেডারেশন ওলিসের হলুদ কার্ড নিয়ে ফিফার কাছে আবেদন করবে, জানিয়েছে স্টিফোঁ। এর সাথে যোগ হচ্ছে, মরক্কো ম্যাচের ভাবনা। তবে, প্যারাগুয়ের বিপক্ষে পাওয়া ঘাম ঝরানো জয় থেকে অনুপ্রেরণা পাচ্ছে ফ্রান্স। সহকারী কোচ স্টিফোঁ বললেন, আগের ম্যাচে শক্তির পরীক্ষা দিতে হওয়ায়, আখেরে লাভই হয়েছে তাদের। “আমার মনে হয়, টুর্নামেন্টের এই পর্যায়ে, এ ধরনের ম্যাচ খেলা আমাদের জন্য ফলপ্রসূ হয়েছিল। কেননা, এই ধরনের প্রতিকূল পরিস্থিতিতে খেলোয়াড়েরা কী করতে পারে, সে উত্তরটা আমরা পেয়ে গেছি”। গত বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল খেলা মরক্কোর সামনে এই মঞ্চে দ্বিতীয়বারের মতো ওঠার হাতছানি। গ্রুপ পর্বে ব্রাজিলকে রুখে দেওয়া মরক্কো নকআউট পর্বে বিদায় করে দিয়েছে নেদারল্যান্ডস ও কানাডাকে। সবশেষ ম্যাচে, বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক কানাডাকে তো পাত্তাই দেননি হাকিমি, দিয়াসরা। স্টিফোঁর মনে হচ্ছে, মরক্কো ম্যাচ তাদের জন্য ভিন্ন রকম চ্যালেঞ্জিং হতে যাচ্ছে। “সম্প্রতি আমরা যে দলগুলোর মুখোমুখি হয়েছি, তাদের চেয়ে মরক্কো পুরোপুরি ভিন্ন একটা প্রতিপক্ষ হবে। তারা গোছাল, সুসংগঠিত, দৃঢ়তাসম্পন্ন এবং সর্বপরি পাল্টা আক্রমণে খুবই ভালো একটা দল, যারা অনেক গোলও করেছে”।


