রঞ্জি ট্রফির এলিট গ্রুপ বি-এর ম্যাচে আসামের বিরুদ্ধে প্রথম দিনের শেষে চাপে রয়েছে ত্রিপুরা। গুয়াহাটির বর্ষাপাড়া ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন ত্রিপুরার অধিনায়ক মণি শংকর মুড়াসিং। ম্যাচের প্রথম দিন শেষে প্রথম ইনিংসে আসাম ৬ উইকেট হারিয়ে ২২৮ রান সংগ্রহ করে। নিয়ন্ত্রিত বোলিং ও নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচের এদিনটিতে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে ত্রিপুরার বোলাররা।
আসামের মন্থর ব্যাটিং ও ত্রিপুরার বোলিং বিক্রম
টসে হেরে প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে শুরু থেকেই ত্রিপুরার নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে বেশ সতর্ক ব্যাটিং করতে দেখা যায় আসামের ব্যাটারদের। ওপেনার নিবির ডেকা ১০৮ বলে ৩৪ রান এবং ঋষভ দাস ৮৫ বলে ৩৭ রান করে আউট হন। দলের পক্ষে মিডল অর্ডারে সর্বোচ্চ ইনিংস খেলেন শিবশঙ্কর রায়, তিনি ১২৫ বলে ৫৪ রানের একটি লড়াকু ইনিংস উপহার দেন। উইকেটরক্ষক সুমিত ঘাড়ীগাঁওকরও ৮২ বলে গুরুত্বপূর্ণ ৪৯ রান করেন। তবে ত্রিপুরার আঁটসাঁটো বোলিংয়ের কারণে প্রথম দিনে আসামের রান তোলার গতি ছিল বেশ ধীর। দিন শেষে স্বরূপম পুরকায়স্থ ৯ রান এবং মুখতার হোসেন ৫ রানে অপরাজিত রয়েছেন হন। বোলিং পরিসংখ্যান
ত্রিপুরার বোলারদের মধ্যে প্রথম দিনে সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন সন্দীপ সরকার। তিনি ২৬ ওভার বল করে ৫টি মেডেনসহ ৬৪ রান দিয়ে ৩টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেন। এছাড়া অন্য বোলারদের মধ্যে অভিজিৎ সরকার, মণি শঙ্কর মুরাসিং এবং অজয় সরকার ১টি করে উইকেট পান। অমিত আলী কোন উইকেট না পেলেও ১৮ ওভারে মাত্র ৫৪ রান দিয়ে আসামের ব্যাটারদের ওপর চাপ বজায় রাখেন।
প্রথম দিনের খেলা শেষে ম্যাচটি বর্তমানে বেশ ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। দ্বিতীয় দিন সকালে দ্রুত আসামের বাকি ৪টি উইকেট তুলে নিয়ে নিজেদের প্রথম ইনিংসে বড় স্কোর গড়াই লক্ষ্য থাকবে ত্রিপুরার। অন্যদিকে, স্বাগতিক আসামের লক্ষ্য হবে স্কোরবোর্ডকে ৩০০ রানের গণ্ডি পার করানো।


