পরাজয়ের হ্যাটট্রিক কর্নেল সিকে নাইডু ট্রফিতেও! একদিন বাকি থাকতেই শেষ লড়াই। অনূর্ধ্ব ২৩ বছরের আসরে পুদুচেরির সিএপি মাঠে ত্রিপুরাকে ৬ উইকেটে হারায় পুডুচেরি। সেই এক ট্রেডিশন। ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতা ও দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যাটিং পরাজয়ের একমাত্র কারণ।
ত্রিপুরার প্রথম ইনিংসে ১৩৭ রানের জবাবে স্বাগতিক পুদুচেরি প্রথম ইনিংসে ২২১ রান করেছিল। ৮৪ রানে পিছিয়ে থেকে ত্রিপুরা দ্বিতীয় ইনিংসে ২২৫ রান করে। জয়ের জন্য ১৪৩ রানের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে খেলতে নেমে পুদুচেরি ৪ উইকেট হারিয়ে প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয়।
দ্বিতীয় দিনের ৬ উইকেটে ১৫২ রান হাতে নিয়ে নেমে রাজ্যদল বৃহস্পতিবার আরও ৭৩ রান যোগ করার ফাঁকে শেষ চারটি উইকেট হারায়। সপ্তজিৎ দাস ১০৯ বল-এ সাতটি বাউন্ডারি ও দুটি ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ৭৭, দলনায়ক আনন্দ ভৌমিক ১১০ বল-এ চারটি বাউন্ডারি ও একটি ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ৫৪, অর্কজিৎ রায় ৭৪ বল-এ একটি বাউন্ডারির সাহায্যে ২৭ এবং দীপ্তনু চক্রবর্তী ৮৫ বল-এ একটি বাউন্ডারির সাহায্যে ১৬ রান করেন। পুদুচেরির নমন শর্মা ৬৮ রানে ছয়টি এবং যশোবন্ত শ্রীরাম ২৬ রানে দুটি উইকেট ভাগ করেন। জয়ের জন্য ১৪২ রানের লক্ষ্য নিয়ে খেলতে নেমে শুরু থেকে দ্রুত রান তোলার দিকে নজর দেন পুদুচেরির ব্যাটসম্যানরা। দলের আক্রমণে নেতৃত্ব দেন প্রবীণ রাজারথিনাম এবং রাঘবন। ওপেনিং জুটিতে দুজন ৫৮ বল-এ ৭৬ রান যোগ করেন। প্রবীণ ৩৫ বল-এ পাঁচটি বাউন্ডারি ও ২টি ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ৪৩ এবং রাঘভন ২৫ বল-এ দুটি বাউন্ডারি ও তিনটি ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ৩৪ রান করেন। এরপর দ্রুত আরও দুটি উইকেট হারালে চাপের মুখে স্বাগতিক দলের হয়ে রুখে দাঁড়ান যশোবন্ত শ্রীরাম এবং অনিশ্বিষাগান জি। শেষ পর্যন্ত ৩২.৫ ওভার ব্যাট করে ৪ উইকেট হারিয়ে প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয় পুদুচেরি। যশোবন্ত শ্রীরাম ৭২ বল-এ তিনটি বাউন্ডারি ও তিনটি ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ৪৪ রানে পরাজিত থেকে যান। রাজ্যদলের দীপ্তনু চক্রবর্তী ৩৮ রানের দুটি উইকেট পান। ত্রিপুরা চতুর্থ প্রতিপক্ষ বিদর্ভ। ৩-৬ নভেম্বর নাগপুরে হবে ম্যাচটি


