পরাজয়ের হ্যাটট্রিক পূর্ণ ত্রিপুরা রঞ্জি দলের!লৌব্যাটসম্যানদের চূড়ান্ত ব্যর্থতায় লেজেগোবরে অবস্থা! পেশাদারদের ক্রিকেটারদের যাচ্ছেতাই অবস্থা। দুজন দলের বাইরে! একজন খেললেও দলের কোন লাভ হচ্ছে না। একেবারে হযবরল অবস্থা যাকে বলে। আর এর খেসারত দিয়ে এবারের মরশুমে শুরুর তিন ম্যাচেই হাবুডুবু খাচ্ছে রঞ্জি দল। ফলে এলিটে থাকা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
কর্নাটকের বিরুদ্ধে এম্যাচটিতে ৭ উইকেট হাতে ছিল ত্রিপুরার। একটা পুরো দিন খেলতে পারলো না! এমন কি ইনিংসে হার বাঁচাতে ব্যর্থ হলো! ১৮০ রানে শেষ দ্বিতীয় ইনিংস। ত্রিপুরা হারলো ইনিংস ও ১১৬ রানের বড় ব্যবধানে।
মাইসোরের এস ডি এন আর ডব্লিউ মাঠে ভরাডুবি হয়েছে রাজ্যদলের। বেশ কয়েক বছর পর এবার লজ্জাজনক পরাজয়ের মুখে পড়তে হয়েছে। এর কারণটাও জানেন ত্রিপুরা ক্রিকেটের কর্তারা। রঞ্জি মরশুমের আগে দলের কোন প্রস্তুতি হয় নি! কোন পরিকল্পনাই এবার ছিল না। পেশাদার বাছাইয়েও কোন চিন্তা ভাবনা ছিল না। যার কুফল ভোগ করতে হচ্ছে।
এম্যাছে ত্রিপুরার ১৯৪ রানের জবাবে কর্ণাটক প্রথম ইনিংসে ৪৯০ রান করেছিল। ২৯৬ রানে পিছিয়ে থেকে ত্রিপুরা দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে গুটিয়ে যায় মাত্র ১৮০ রানে। আসরে টানা তিন ম্যাচে পরাজিত হয়ে গ্রুপের শেষের স্থানে রয়েছে রাজ্যদল। অপরদিকে প্রথম দুই ম্যাচে এক পয়েন্ট করে পাওয়ার পর ত্রিপুরার বিরুদ্ধে ৭ পয়েন্ট পেলো কর্ণাটক।
তৃতীয় দিনের তিন উইকেটে ৯৮ রান নিয়ে খেলতে নেমে বৃহস্পতিবার শুরু থেকেই উইকেট হারাতে থাকে রাজ্যদল। শেষ পর্যন্ত ৭৮.১ ওভার ব্যাট করে ইনিংস গুটিয়ে যায় ১৮০ রানে। শ্রীদাম পাল ৮১ বল-এ দুটি বাউন্ডারি ও তিনটি ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ৫০, বাবুল দে ৮২ বল-এ তিনটি বাউন্ডারির সাহায্যে ২৮, বিক্রম কুমার দাস ৫৮ বল-এ চারটি বাউন্ডারির সাহায্যে ২৬, মন্দিপ সিং ৮৪ বল-এ একটি বাউন্ডারির সাহায্যে ২০ এবং সেন্টু সরকার ২১ বল-এ তিনটি বাউন্ডারির সাহায্যে ১৫ রান করেন। কর্নাটকের শ্রেয়স গোপাল ৩৬ রানে পাঁচটি, বিজয় কুমার ৩১ রানে এবং মানভানথ কুমার ৪২ রানে দুটি উইকেট ভাগ করেন। ২-৫ নভেম্বর ত্রিপুরা চতুর্থ ম্যাচ খেলবে শক্তিশালী সৌরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে। আগরতলার এমবিবি স্টেডিয়ামে হবে ম্যাচটি।
ব্যাটসম্যানদের চূড়ান্ত ব্যর্থতায় লেজেগোবরে অবস্থা! পরাজয়ের হ্যাটট্রিক পূর্ণ
Date:
Share post:


