লম্বা সময় পর গোল পেলেন না লিওনেল মেসি। কিন্তু সতীর্থের গোলে অবদান রাখলেন ঠিকই। তাতে আর্জেন্টিনা অধিনায়কের হাতে ধরা দিল দারুণ একটি সাফল্য। কিলিয়ান এমবাপেকে টপকে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে সবচেয়ে বেশি গোলে অবদান এখন তার। ১৯৯২ সালে ফিফা র্যাঙ্কিং চালুর পর এবারই প্রথম র্যাঙ্কিংয়ের সেরা চার দল বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে খেলছে। এছাড়া এনিয়ে তৃতীয়বার বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করল অতীতে শিরোপা জেতা চার দল। ১৯৭০ ও ১৯৯০ বিশ্বকাপেরও সেমিফাইনালেও ছিল একই চিত্র।
আসরে লিওনেল মেসি এমন ২০টি পাস দিয়েছেন যেগুলো থেকে লক্ষ্যে শট নিয়েছেন সতীর্থরা। ১৯৬৬ বিশ্বকাপের পর প্রথম ফুটবলার হিসেবে ভিন্ন ভিন্ন তিন আসরে গোল পোস্টে ২০ বা এর বেশি এমন পাস দিয়েছেন (২০২২ সালে ২১ টি ও ২০১৪ সালে ২৪ টি)।
চলতি বিশ্বকাপে টানা চার ম্যাচে তিন বা এর বেশি গোল করেছে আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপ ইতিহাসে যৌথভাবে যা সর্বোচ্চ। এর আগে ফ্রান্স চলতি আসরে টানা চার ম্যাচে তিন বা ততোধিক গোল করেছিল। তাদের ওই যাত্রা থামে শেষ ষোলোতে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচে।
বিশ্বকাপে কর্নার থেকে তিন গোল করেছে আর্জেন্টিনা। ইংল্যান্ড এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা সমান গোল করেছে কর্ণার থেকে। অথচ গড় উচ্চতার দিক থেকে এবারের আসরে আর্জেন্টাইন ফুটবলারদের উচ্চতা তৃতীয় সর্বনিম্ন। কর্ণারের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথভাবে সেট পিসে সর্বোচ্চ ৫ গোল করেছে আর্জেন্টিনা।
চতুর্থ ফুটবলার হিসেবে চারটি কোয়ার্টার ফাইনালে শুরুর একাদশে খেললেন লিওনেল মেসি। এর আগে খেলেছেন – জার্মানির লোথার ম্যাথিউস, মিরোস্লাভ ক্লোসা এবং উয়ে সিলার।
বিশ্বকাপে হুলিয়ান আলভারেসের পাঁচ গোলের চারটিই এসেছে নকআউট পর্বে। দিয়েগো মারাদোনাও নকআউট পর্বে চার গোল করেছেন। আর্জেন্টিনার হয়ে তাদের উপরে আছেন লিওনেল মেসি (৭)।
ডাইভ দেওয়ায় দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন বাগাইল এমবোলো। শেষ ৬০ বছরে বিশ্বকাপে এই কারণে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেছেন মেক্সিকোর লুইস পেরেস (বিপক্ষ পর্তুগাল, ২০০৬), ঘানার আসামোয়া জিয়ান (বিপক্ষ ব্রাজিল, ২০০৬) এবং ইতালির ফ্রান্সেসকো টট্টি (বিপক্ষ দক্ষিণ কোরিয়া, ২০০২)।


