৯০ মিনিট পেরিয়ে অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও দুই দলের আক্রমণে ধার ফিরল না। একরকম উত্তাপহীন লড়াইয়ের সব রোমাঞ্চ গিয়ে যেন জমা হলো পেনাল্টি শ্যুট আউটে। যেখানে স্নায়ুচাপ ধরে রেখে, কলম্বিয়াকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকেট কাটল সুইজারল্যান্ড। ভ্যানকুভারে টাই ভেঙ্গে ৪-৩ গোলে জিতেছে সুইজারল্যান্ড। নির্ধারিত সময় ছিল গোলশূন্য ড্র। ১৯৫৪ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠল সুইজারল্যান্ড। আসরে এখন পর্যন্ত অপরাজিত সুইসরা সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে খেলবে শিরোপাধারী আর্জেন্টিনার বিপক্ষে, যারা সব ম্যাচই জিতেছে। ১২০ মিনিটের লড়াইয়ে বল দখলে একটু পিছিয়ে থাকলেও, আক্রমণে প্রতিপক্ষের চেয়ে এগিয়েই ছিল কলম্বিয়া। গোলের জন্য শটও বেশি নেয় তারা, তবে প্রতিপক্ষ গোলরক্ষককে খুব বেশি পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি দলটি। তাদের ১৫ শটের তিনটিই কেবল লক্ষ্যে ছিল। আর সুইসদের সাত শটের দুটি ছিল লক্ষ্যে। এরপর, টাইব্রেকারেও লক্ষ্যে শট রাখতে ভুগতে দেখা গেল কলম্বিয়াকে। দুই দলই প্রথম শটে সফল হয়। তবে এরপরই, কলম্বিয়ার দ্বিতীয় শট নিয়ে ব্যর্থ হন দাভিনসন সানচেস, তার প্রচেষ্টা লক্ষ্যেই ছিল না। সেই সুযোগে জিকি আমদুনি সফল হলে এগিয়ে যায় সুইজারল্যান্ড। কলম্বিয়ার তৃতীয় শট জালের ছোঁয়া পায়, কিন্তু সুইজারল্যান্ডের তৃতীয় শট নেওয়া মানুয়েল আকঞ্জি উড়িয়ে মারলে স্কোরলাইনে ২-২ সমতা থাকে। চতুর্থ প্রচেষ্টায় কলম্বিয়ার কুচো এর্নান্দেসের শট ডান দিকে ঝাঁপিয়ে গ্রেগর কোবেল রুখে দেন। আর সেদ্রিক গোল করলে ৩-২ এ এগিয়ে থাকে ইউরোপের দলটি। কলম্বিয়ার পরবর্তী শটে লুইস দিয়াস সফল হলে স্কোরলাইন হয় ৩-৩ এবং লড়াই জারি থাকে। তবে এরপর, রুবেন ভার্গাস জালে বল পাঠাতেই নিশ্চিত হয়ে যায় লড়াইয়ের ফল, উৎসবে মাতে সুইজারল্যান্ড।


