এশিয়ান গেমসের সপ্তম দিনে সামগ্রিক পারফরম্যান্সের নিরিখে চিন, জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়ার মতো শীর্ষ দেশগুলোর আধিপত্য যথারীতি বজায় থাকলেও, মধ্য এশিয়া এবং দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশও ট্র্যাকে ও শুটিং রেঞ্জে দুর্দান্ত চমক দেখিয়েছে।
চিন তাদের টেবিল টেনিসের একচ্ছত্র আধিপত্য ধরে রেখে মিক্সড ডাবলসের সেমিফাইনালে ভারতের মানুশ শাহ এবং দিব্যা চিতালে জুটিকে স্ট্রেট সেটে হারিয়ে ফাইনাল ও স্বর্ণপদক নিশ্চিত করে। সাঁতার, ডাইভিং এবং জিমন্যাস্টিক্সে চিন তাদের স্বর্ণপদকের জয়ের ধারা অব্যাহত রেখে পদক তালিকার শীর্ষস্থান আরও মজবুত করেছে।
ঘরের মাঠে জাপানি অ্যাথলিটরা ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে দারুণ পারফর্ম করেছেন। বিশেষ করে পুরুষ ও মহিলাদের দূরপাল্লার দৌড়ে (১০,০০০ মিটার) জাপানি রানাররা পোডিয়াম ফিনিশ করে সোনা জিতেন।
জুডোর একাধিক ক্যাটাগরিতে জাপান চিনের কাছ থেকে সোনা ছিনিয়ে নিয়ে শক্তির পরিচয় দেয়।
১০ মিটার এয়ার পিস্তল মিক্সড টিম ইভেন্টে দক্ষিণ কোরিয়ার জুটি ফাইনালে ভারতের সুরুচি ও কমলজিৎ জুটির কাছে পরাজিত হয়ে রুপোর পদক লাভ করে। বক্সিং এবং ব্যাডমিন্টনের ডাবলস ইভেন্টগুলোতে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিযোগীরা তাদের কোয়ার্টার ফাইনাল ও সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে।
পুরুষদের ব্যাডমিন্টন ডাবলসে থাইল্যান্ডের পেয়ার তিরা রাতসাকুল ও সুকফুন এক মহাকাব্যিক ম্যাচে গতবারের সোনাজয়ী ভারতের শীর্ষ জুটি সাত্বিকসাইরাজ রঙ্কিরেড্ডি এবং চিরাগ শেট্টিকে প্রথম রাউন্ডেই টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে দিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেয়। থাইল্যান্ড পুরুষ কাবাডি দল সেমিফাইনালে ভারতের কাছে ৬৬-২৮ ব্যবধানে হেরে ব্রোঞ্জ পদক নিয়ে তাদের সফল অভিযান শেষ করে।
মহিলাদের ৫৪ কেজি বক্সিংয়ে উত্তর কোরিয়ার শক্তিশালী বক্সার পং চোল-মি রিংয়ে সম্পূর্ণ আধিপত্য বিস্তার করে ৫-০ ব্যবধানে ম্যাচ জিতে পরবর্তী রাউন্ডে প্রবেশ করেন।
১০ মিটার এয়ার পিস্তল মিক্সড টিম ইভেন্টে ভারত ও দক্ষিণ কোরিয়ার পেছনে থেকে ইরান ব্রোঞ্জ পদক অর্জন করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ হিসেবে শুটিং রেঞ্জে নিজেদের উপস্থিতি জানান দেয়।


