টানটান উত্তেজনা, আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ আর হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে ফাইনালে দাপট দেখিয়ে ৩-০ গোলে জয় ছিনিয়ে নিল রয়েল গ্রুপ এফসি। সুবাদে ঝুনু রানী দাস মেমোরিয়াল নকআউট ফুটবল টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়নের শিরোপা ঘরে তুলে নিল। দীর্ঘ এক মাস ধরে চলা জমজমাট এই ফুটবল আসরে রবিবার দশদা হাইস্কুল মাঠে পর্দা নামে এই ক্রীড়া আসরের। খেলা শুরুর আগেই দর্শকদের ভিড়ে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় মাঠ। দুই দলেই দেশী বিদেশি খেলোয়াড় থাকায় শুরু থেকেই ম্যাচ ঘিরে ছিল বাড়তি উত্তেজনা।
খেলার শুরুতেই আক্রমণের ঝড় তোলে রয়েল গ্রুপ। একের পর এক আক্রমণে দশদা ব্রাদার্সের রক্ষণভাগকে চাপে ফেলে তারা। সেই চাপের ফলও আসে দ্রুত। রয়েল গ্রুপের তারকা খেলোয়াড় জাকারিয়া হালামের দুর্দান্ত শটে বল জালে জড়িয়ে যায়।
গোল হজমের পর পাল্টা আক্রমণে ফেরার চেষ্টা করে দশদা ব্রাদার্স। কয়েকটি সুযোগও তৈরি হয়। কিন্তু রয়েল গ্রুপের জমাট রক্ষণভাগ ভেদ করে গোলের মুখ খুলতে পারেনি তারা। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার ঠিক আগে ফের সাফল্য পায় রয়েল গ্রুপ। আমন হালামের গোলে ব্যবধান ২-০ করে তারা। বিরতির পর আবারও গোলের দেখা পান জাকারিয়া হালাম। তাঁর দ্বিতীয় গোলেই রয়েল গ্রুপের জয় নিশ্চিত হয়ে যায়। চ্যাম্পিয়ন রয়েল গ্রুপ এফসির হাতে তুলে দেওয়া হয় প্রাইজমানি ৩০ হাজার টাকা ও ট্রফি। রানার্স দশদা ব্রাদার্স এফসি পায় ২০ হাজার টাকা ও ট্রফি। ফাইন্যালে মাঠে ছিলেন মহকুমা শাসক শুভম তিথে, কাঞ্চনপুর থানার ওসি শ্রীকান্ত রুদ্র পাল, টুর্নামেন্ট কমিটির সভাপতি প্রদীপ কুমার রিয়াং।
সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ত্রিপুরা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি প্রণব সরকার গ্রামীণ এলাকার প্রতিভাবান ফুটবলারদের রাজ্যস্তরের প্রতিযোগিতায় খেলার সুযোগ করে দেওয়ার বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন। ছিলেন ত্রিপুরা ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সভাপতি সৌরজিত পাল সহ অন্যান্য অতিথিরা।


