কর্নেল সিকে নাইডু ট্রফি অনূর্ধ্ব ২৩ বছরের ক্রিকেটেও টানা দ্বিতীয় হার ত্রিপুরার। ব্যাটসম্যানদের চূড়ান্ত ব্যর্থতাই পরাজয়ের একমাত্র কারণ। ঘরের মাঠে হরিয়ানার বিরুদ্ধে বিধ্বস্ত হওয়ার পর নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে কর্নাটকের কাছে রাজ্যদল হারলো ১০ উইকেটের বড় ব্যবধানে। বেঙ্গালুরুর চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে স্বাগতিক কর্নাটকের ৪৪৩ রানের জবাবে ত্রিপুরা প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং ব্যর্থতায় ১৯৭ রান করতে সক্ষম হয়েছিল। ২৪৬ রানে পিছিয়ে থেকে ফলোঅনে নেমে ২৬৬ রান করতে সক্ষম হয়। জয়ের জন্য মাত্র ২১ রানের লক্ষ্য নিয়ে স্বাগতিক দল সহজেই প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয়। ফলে বোনাস পয়েন্ট ছিনিয়ে নেয় কর্ণাটক। প্রথমে ব্যাট করার সুযোগ পেয়ে কর্ণাটক ৪৪৩ রান করে। রাজদীপ দত্তের দুরন্ত বোলিং কাজে আসে নি। যশিবর্ধন পারান্তাপ ১৪৮ বল-এ ছয়টি বাউন্ডারি ও একটি ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ১০০, সমিত দ্রাবিড় ৮০, হরশীল ধর্মানি ৫৯, এবং যুবরাজ অরোরা ৫২ রান করেন। রাজদীপ ১২৭ রানের ৬টি উইকেট পান। জবাবে ব্যাটসম্যানদের চূড়ান্ত ব্যর্থতায় ১৯৭ রানে গুটিয়ে যায় রাজ্যদল। দুর্লভ রায় ৯৫ বল-এ সাতটি বাউন্ডারির সাহায্যে ৪৮, রাজদীপ ৩২, দীপজয় দেব ৩১, নবারুণ চক্রবর্তী ২৭ এবং সপ্তজিৎ দাস ২২ রান করেন। কর্নাটকের সামিত দ্রাবিড় ১৬ রানে, মহসিন খান ৩৯ রানে এবং হার্দিক রাজ ৬২ রানে তিনটি করে উইকেট ভাগ করেন। ২৪৬ রানে পিছিয়ে থেকে ফলোঅনে নেমে ত্রিপুরা দ্বিতীয় ইনিংসে ২৬৬ রান করে। অধিনায়ক আনন্দ ভৌমিক ৯২ বল-এ আটটি বাউন্ডারি ও একটি ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ৭৫, নবারুণ চক্রবর্তী ১৩২ বল-এ আটটি বাউন্ডারি ও একটি ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ৭০, অর্কজিৎ রায় ৮৭ বল-এ তিনটি বাউন্ডারির সাহায্য ২৯ এবং তন্ময় দাস ৪৮ বল-এ দুটি বাউন্ডারি সাহায্যে ২২ রান করেন। কর্নাটকের হার্দিক রাজ ১০২ রানে পাঁচটি উইকেট পান। মাত্র ২১ রানের লক্ষ্য কর্ণাটক ৩৩ বল খেলে কোনও উইকেট না হারিয়ে তুলে নেয়। বিজয় বাসাভারাজ ২৭ বল-এ ৩টি বাউন্ডারির সাহায্যে ১৮ রানে এবং প্রখর চতুর্বেদি ৫ রানে অপরাজিত থেকে যান। ২৭-৩০ অক্টোবর ত্রিপুরা তৃতীয় ম্যাচ খেলবে পুদুচেরির বিরুদ্ধে ।


