রাজ্যে থাং-থা ইভেন্টটি পারিবারিক ব্যবসা হয়ে দাঁড়িয়েছে। মূলত ধর্মনগরের একটি পরিবার এই খেলাটিকে কুক্ষিগত করে রেখেছে বলে অভিযোগ। এর ফলে এই খেলার সাথে যুক্তরা ব্যাপক সমস্যার মুখে পড়েছে।
সূত্রের খবর, থাং-থা খেলার নাম করে রেজিস্ট্রেশন বাবদ প্রতিটি খেলোয়াড়কে ৭০০/৮০০ টাকা দিতে হচ্ছে। জাতীয় মিটের জন্য ৫ হাজার টাকা দিতে বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে কেউ অপারক হলে তাকে বাদ দিয়ে দেয়া হচ্ছে। এই সংস্থাটি ক্রীড়া পর্ষদের কোন অনুমোদনও নেই। ক্রীড়া দপ্তর থেকে বাঁকা পথে টাকা এনে আত্মস্বাদ করার অভিযোগ রয়েছে। দাদা, ভাই, বোন আর বোনজামাই মিলে খেলোয়াড়দের কাছ থেকে টাকা তুলে আত্মস্বাদ করা হচ্ছে বলে গুরুতর অভিযোগ বিভিন্ন মহলে রয়েছে। এই সব ঘটনায় ব্যাপক ক্ষোভ ও অসন্তোষ রয়েছে অভিভাবক মহলে। ফলে খেলোয়াড়দের ভবিষ্যত প্রশ্নের মুখে এসে দাঁড়িয়েছে। এই সংস্থাটি বিরুদ্ধে অবিলম্বে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার দাবী উঠেছে।


