ম্যাচ জুড়ে আক্রমণে দাপট দেখাল ফ্রান্স। কিন্তু গোলরক্ষকের দেয়াল ভাঙতে পারছিল না তারা, বাঁধ সাধে ক্রসবারও। অবশেষে বদলি নেমে চমৎকার এক গোল করলেন মাইকেল ওলিসে। বেলজিয়ামকে হারিয়ে নেশন্স লিগে জয়ের ধারা ধরে রাখল জিনেদিন জিদানের দল।
ব্রাসেলসে ‘এ’ লিগের এক নম্বর গ্রুপের ম্যাচটি ১-০ গোলে জিতেছে দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। নতুন কোচ জিদানের হাত ধরে প্রথম দুই ম্যাচেই জিতল ফরাসিরা। দুই ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে আছে দলটি। ৩ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে আছে বেলজিয়াম। তাদের সমান পয়েন্ট নিয়ে ইতালি তিনে আছে। তুরস্ক এখনও পয়েন্ট পায়নি।
ম্যাচে প্রায় ৬৫ শতাংশ পজেশন রেখে গোলের জন্য ১৮ শটের সাতটি লক্ষ্যে রাখতে পারে ফ্রান্স। বেলজিয়ামের ১২ শটের কেবল দুটি লক্ষ্যে ছিল, সেগুলোও ৭০ মিনিটের পর। তুরস্ককে ১-০ গোলে হারানো ম্যাচ থেকে শুরুর একাদশে ৯টি পরিবর্তন আনেন জিদান। অভিষেক হয় আঁদি দিউফ, জেহেমি জ্যাকে ও লুকা দা কুইয়ার। ২০১০ সালের অগাস্টের পর এই প্রথম কোনো ম্যাচে ফ্রান্সের হয়ে তিন বা এর বেশি খেলোয়াড়ের অভিষেক হলো। প্রথম ম্যাচে একমাত্র গোলটি করার পর চোট পেয়ে বাকি ম্যাচগুলো থেকে ছিটে পড়েন কিলিয়ান এমবাপে। ৭৭ মিনিটে বাহকোলার বদলি নামানো হয় ওলিসেকে। নির্ধারিত সময়ের দুই মিনিট বাকি থাকতে ব্যবধান গড়ে দেওয়া গোলটি করেন তিনি। তার সঙ্গেই বদলি নামা রায়ান শের্কির ক্রস নিজেদের অর্ধে বুক দিয়ে নামিয়ে, সঙ্গে লেগে থাকা প্রতিপক্ষের একজনকে ছিটকে ফেলে ক্ষিপ্র গতিতে এগিয়ে যান ওলিসে। সামনে ছিল বেলজিয়ামের আরও দুই খেলোয়াড়। বক্সে ঢুকে তাদের কোনো সুযোগ না দিয়ে বাঁ পায়ের জোরাল নিচু শটে ঠিকানা খুঁজে নেন বায়ার্ন মিউনিখ উইঙ্গার। যাকে খুব একটা প্রতিক্রিয়া দেখাতে দেখা যায় না, সেই জিদানও ওই গোলের পর খেলোয়াড়দের মতো বাধভাঙা উদযাপনে মাতেন। টাচলাইনে ছুটে গিয়ে একটি বলে সজোরে শট করেন এই কিংবদন্তি।


