ভরাডুবির মরশুমে রঞ্জি ট্রফিতে হায়দ্রাবাদের কাছে লিড হাতছাড়া করে সরাসরি হারের মুখে দাঁড়িয়ে ত্রিপুরা! দ্বিতীয় দিনের শেষে আরও ৫৪ রানে রয়েছে পিছিয়ে। মাত্র তিন উইকেটে রয়েছে অক্ষত! প্রথম ইনিংসের পর দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যাট হাতে চূড়ান্ত ফ্লপ শো চলছে। ফলে হার বাঁচানো অসম্ভব।
১৬০ রানে পিছিয়ে থেকে চারদিনের লড়াইয়ের দ্বিতীয় দিনে সোমবার ব্যাট হাতে দ্বিতীয় ইনিংসে নেমে ফের ল্যাজে গোবরে হয় ত্রিপুরা! এর অন্যতম কারণ প্রস্তুতি ছাড়াই রাজ্যদল গঠন। যার প্রতিক্রিয়া আসতে শুরু করেছে। সন্দীপ সরকার জীবনের সেরা বোলিং করে ত্রিপুরাকে কিছুটা লড়াইয়ে রাখার চেষ্টা করলেও ব্যাটসম্যানদের চূড়ান্ত ব্যর্থতায় এর সুফল পায়নি। জিমখানা মাঠে ত্রিপুরার প্রথম ইনিংসের ১৩৪ রানের জবাবে স্বাগতিক হায়দ্রাবাদ ৪ উইকেটে ১২১ থেকে ব্যাট হাতে নেমে দ্বিতীয় দিনের শেষে ২৯৪ রান করে। তনয় আগারওয়াল ১২২ বল-এ দুটি বাউন্ডারির সাহায্যে ৫৪, মেন্ডে রুথিক যাদব ১৫০ বল-এ পাঁচটি বাউন্ডারির সাহায্যে ৬১, চামা মিলিন্দ ৫৫ বল-এ পাঁচটি বাউন্ডারি ও দুটি ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ৪০, রাহুল রাদেশ ১১৯ বল-এ একটি বাউন্ডারি সাহায্যে ৪০ এবং অবিরথ রেড্ডি ৫৬ বল-এ তিনটি বাউন্ডারি ও একটি ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ৩২ রান করেন। ত্রিপুরার সন্দীপ সরকার জীবনের সেরা বোলিং করে ৯৬ রানে একাই আটটি উইকেট দখল করেন (৪১.২-৬-৯৬-৮)। ৭৬ রানে অপরটি দুটি উইকেট পান পারভেজ সুলতান। ১৬০ রানের পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়ে ত্রিপুরা। শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয় দিনের শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে ১০৬ রান করে। শ্রীদাম পাল ৩৮ বল-এ পাঁচটি বাউন্ডারির সাহায্যে ২৫, সেন্টু সরকার ৭৩ বল-এ তিনটি বাউন্ডারি সাহায্যে ২৭ রান করেন। এছাড়া বিক্রম কুমার দাস ১১, ঋতুরাজ ঘোষ রায় ৫, হনুমা বিহারী ১, মন্দিপ সিং ৭, মণিশঙ্কর মুরাসিং ১০, রজত দে ১ রান করেন! দিনের শেষে সেন্টু সরকার ৭৩ বল-এ ৩টি চার সহ ২৭ ও পারভেজ সুলতান ২১ বল-এ ২টি চার সহ ১১ রানে অপরাজিত রয়ে যান। হায়দ্রাবাদের তনয় ৪২ রানে তিনটি এবং মোঃ সিরাজ ১৯ রানে দুটি উইকেট ভাগ করেন।


