বিপক্ষে হারের পর রেফারির দিকে আঙুল তুলেছেন মিশর ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হানি আবো রিদা। রেফারির বিতর্কিত সিদ্ধান্তগুলো নিয়ে আনুষ্ঠানিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি। ম্যাচটিতে রেফারির বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে মাঠেই অসন্তোষ জানিয়েছে মিশর। সেগুলো নিয়ে বিতর্কের ঝড় বয়ে যাচ্ছে ফুটবল আঙিনায়। ম্যাচ শেষের সাংবাদিক সম্মেলনে মিশরের কোচ হোসাম হাসান রেফারিং নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তার কয়েক ঘণ্টা পর রেফারিং নিয়ে তদন্তের দাবি তুলে বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন মিশর ফুটবলের প্রধান আবো রিদা। মাঠেই নিজের ক্ষোভ উগড়ে দেন হাসান। মেজাজ হারিয়ে হলুদ কার্ডও দেখেন তিনি। পরে বলেন, ম্যাচ আগে থেকেই ‘নির্ধারিত’ ছিল। একই সঙ্গে ফরাসি রেফারি ফঁসোয়া লুতেক্সিয়েরের ওপর আর্জেন্টিনার পক্ষ থেকে আগে থেকেই চাপ সৃষ্টি করার অভিযোগও তোলেন তিনি। লুতেক্সিয়ের ও তার সঙ্গে থাকা এই ম্যাচের অফিসিয়ালদের বিশ্বকাপের বাকি অংশ থেকে বহিষ্কারের আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানিয়েছেন আবো রিদা। তার দাবি, রেফারির ভুল সিদ্ধান্তগুলো ম্যাচের ফলাফলে সরাসরি প্রভাব ফেলেছে। ম্যাচের দুটি ঘটনা নিয়ে মূলত মিশরের আপত্তি। আর ওই দুই ঘটনা নিয়ে চলছে সবচেয়ে বেশি বিতর্কও। প্রথমটি হলো, ভিএআরের হস্তক্ষেপে আগের একটি ফাউলের কারণে মিশরের গোল বাতিল করা। দ্বিতীয়টি, আর্জেন্টিনার তৃতীয় গোলের আগে মিশর ফাউলের অভিযোগ করলেও সেটি ভিএআরে পর্যালোচনা না করা। মিশরের এই অনুরোধের বিষয়ে কিছু জানায়নি ফিফা।


