ম্যাচের প্রথম এক ঘণ্টা ছিল প্রায় নিষ্প্রাণ। এরপর খেলায় একটু গতি ফিরলেও উত্তেজনা ছিল না তেমন। কিন্তু শেষ দিকে গিয়ে হুট করেই ম্যাচ হয়ে উঠল প্রানবন্ত। আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণে শেষ দিকে গোল হলো তিনটি। জমজমাট সমাপ্তিতে হারের শঙ্কায় পড়ে যাওয়া ইন্টার মায়ামিকে পয়েন্ট এনে দিলেন রিকেলমে ফিলিপি।
পালমেইরাস থেকে গত মাসেই ইন্টার মায়ামিতে নাম লিখিয়েছেন ফিলিপি। ২০ বছর বয়সী ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার দুর্দান্ত এক গোল উপহার দেন ৯০ মিনিটে। মেজর লিগ সকারে সিনসিনাটি এফসি ও ইন্টার মায়ামির লড়াই শেষ হয় ২-২ গোলে।
টানা দ্বিতীয় ম্যাচে গোল করতে পারেননি লিওনেল মেসি। ২৫ গোল করে লিগের সর্বোচ্চ গোলস্কোরার অবশ্য এখনও তিনিই।
মায়ামির মাঠে ম্যাচের প্রথমার্ধ ছিল একদমই প্রাণহীন। দুই দলই ছিল অতি সতর্ক। তেমন কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি কোনো দলই। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুটাও ছিল একইরকম। ৫৮ মিনিটে প্রথমবার গোলের কাছাকাছি যান মেসি। হার্মান বের্তেরামের সঙ্গে পাস দেওয়া-নেওয়া করে মায়ামি অধিনায়কের বাঁপায়ের শট একটুর জন্য বাইরে দিয়ে চলে যায়। এর পরপরই গোলের দেখা পায় মায়ামি। কাজেমিরোর পাস থেকে দুর্দান্ত বাঁকানো শটে দলকে এগিয়ে দেন সুয়ারেস। চলতি লিগে উরুগুয়ের স্ট্রাইকারের ষোড়শ গোল এটি।
এরপরও ম্যাচে সেভাবে প্রাণ ফেরেনি। কিন্তু ৮০ মিনিটের কাছাকাছি সময়ে গিয়ে হঠাৎ জমে ওঠে ম্যাচ। গোছানো আক্রমন থেকে চোখধাঁধানো গোলে সিনসিনাটিকে সমতায় ফেরান ফরাসি ফরোয়ার্ড কেনজি এমবোমা ডেম। ছয় মিনিট পর পাল্টা আক্রমণে বক্সের মাথা থেকে মাপা শটে মায়ামি গোলকিপারকে পরাস্ত করেন সামুয়েল গিডি।
মায়ামির সমতা ফেরানো গোলটিও ছিল দর্শনীয়। বাঁ প্রান্তে বল পেয়ে সিনসিনাটির একজনকে কাটিয়ে বক্সের ঠিক ওপর থেকে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে মায়ামিকে সমতায় ফেরান ফিলিপি। যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে সুয়ারেসের শট ঠেকিয়ে দেন সিনসিনাটি গোলকিপার। শেষ মিনিটে দারুণ এক সুযোগ পেয়েছিল সিনসিনাটি। বক্সের ভেতর থেকে ইভান্ডারের শট ইয়ান ফ্রের গায়ে লেগে বাইরে চলে যায়।
এই ড্রয়ের পর ৩২ ম্যাচে ৫৬ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকার তিনে ইন্টার মায়ামি। দুই পয়েন্ট বেশি নিয়ে দুইয়ে নিউ ইংল্যান্ড। ৭১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থাকা ন্যাশভিল এফসি আগেই নিশ্চিত করেছে সাপোর্টার্স শিল্ড জয় করা।


