পঞ্চম টি-২০ ম্যাচে ভারতকে ৫৬ রানে হারিয়ে ৪-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতে নিল ইংল্যান্ড। লজ্জাকর সিরিজ হার ভারতের! সাউদাম্পটনে বৃষ্টির কারণে ম্যাচ কিছুটা বিঘ্নিত হওয়ার পর টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং করে রানের পাহাড় গড়েছিল বিশ্বজয়ী ইংল্যান্ড। বাটলার ও ব্রুকের ব্যাটিং তাণ্ডবে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ভারতীয় বোলারদের ওপর রীতিমতো দাপট দেখান ইংল্যান্ডের ব্যাটাররা। ওপেনার জস বাটলারের বিধ্বংসী সেঞ্চুরি এবং অধিনায়ক হ্যারি ব্রুকের অপরাজিত ৯০ রানের ঝড়ো ইনিংসের সৌজন্যে ইংল্যান্ড ২৫৭ রানের বিশাল স্কোর গড়ে। টস ও ম্যাচ শুরু হতে দেরি হয়। ম্যাচের শুরুতেই সাউথ্যাম্পটনের তীব্র যানজটে আটকে পড়েছিল ভারতীয় ক্রিকেট দলের বাস। এর পাশাপাশি বৃষ্টির কারণে নির্ধারিত সময়ে টস করা সম্ভব হয়নি, যার ফলে ম্যাচ বেশ কিছুটা দেরিতে শুরু হয়। নিয়মরক্ষার এই ম্যাচে ভারতীয় দলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছিল। তরুণ ক্রিকেটার বৈভব সূর্যবংশীর পরিবর্তে দলে ফেরানো হয়েছিল সঞ্জু স্যামসনকে, এবং সুযোগ দেওয়া হয়েছিল সূর্যাংশ শেডগেকে। ২৫৮ রানের পাহাড় টার্গেট তাড়া করতে নেমে লড়াই চালালেও শেষ রক্ষা করতে পারেনি টিম ইন্ডিয়া। নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারিয়ে শেষ পর্যন্ত ২০১ রানেই গুটিয়ে যায় ভারতের ইনিংস! যার ফলে ৫৬ রানে হারতে হয়। পরপর দুই সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়ে চরম লজ্জার মুখে পড়তে হলো ভারতকে।
ইংল্যান্ড স্কোর: ২৫৭/৩ (২০ ওভার)
ভারত স্কোর: ২০১/১০ (২০ ওভার)
ফলাফল: ইংল্যান্ড ৫৬ রানে জয়ী।
সিরিজ ফলাফল: ইংল্যান্ড ৪-০ ব্যবধানে জয়ী।
৪গ
পঞ্চম টি-২০ ম্যাচে ভারতকে ৫৬ রানে হারিয়ে ৪-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতে নিল ইংল্যান্ড। লজ্জাকর সিরিজ হার ভারতের! সাউদাম্পটনে বৃষ্টির কারণে ম্যাচ কিছুটা বিঘ্নিত হওয়ার পর টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং করে রানের পাহাড় গড়েছিল বিশ্বজয়ী ইংল্যান্ড। বাটলার ও ব্রুকের ব্যাটিং তাণ্ডবে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ভারতীয় বোলারদের ওপর রীতিমতো দাপট দেখান ইংল্যান্ডের ব্যাটাররা। ওপেনার জস বাটলারের বিধ্বংসী সেঞ্চুরি এবং অধিনায়ক হ্যারি ব্রুকের অপরাজিত ৯০ রানের ঝড়ো ইনিংসের সৌজন্যে ইংল্যান্ড ২৫৭ রানের বিশাল স্কোর গড়ে। টস ও ম্যাচ শুরু হতে দেরি হয়। ম্যাচের শুরুতেই সাউথ্যাম্পটনের তীব্র যানজটে আটকে পড়েছিল ভারতীয় ক্রিকেট দলের বাস। এর পাশাপাশি বৃষ্টির কারণে নির্ধারিত সময়ে টস করা সম্ভব হয়নি, যার ফলে ম্যাচ বেশ কিছুটা দেরিতে শুরু হয়। নিয়মরক্ষার এই ম্যাচে ভারতীয় দলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছিল। তরুণ ক্রিকেটার বৈভব সূর্যবংশীর পরিবর্তে দলে ফেরানো হয়েছিল সঞ্জু স্যামসনকে, এবং সুযোগ দেওয়া হয়েছিল সূর্যাংশ শেডগেকে। ২৫৮ রানের পাহাড় টার্গেট তাড়া করতে নেমে লড়াই চালালেও শেষ রক্ষা করতে পারেনি টিম ইন্ডিয়া। নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারিয়ে শেষ পর্যন্ত ২০১ রানেই গুটিয়ে যায় ভারতের ইনিংস! যার ফলে ৫৬ রানে হারতে হয়। পরপর দুই সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়ে চরম লজ্জার মুখে পড়তে হলো ভারতকে।
ইংল্যান্ড স্কোর: ২৫৭/৩ (২০ ওভার)
ভারত স্কোর: ২০১/১০ (২০ ওভার)
ফলাফল: ইংল্যান্ড ৫৬ রানে জয়ী।
সিরিজ ফলাফল: ইংল্যান্ড ৪-০ ব্যবধানে জয়ী।


