বিরাট কোহলি ও শুভমন গিলের জোড়া সেঞ্চুরি এবং কুলদীপ যাদবের স্পিন জাদুতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৮ উইকেটে হারিয়ে তিন ম্যাচের ওডিআই সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ভারত। গ্রিনফিল্ড আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে রান তাড়া করতে নেমে মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে ৫০ বল বাকি থাকতেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় টিম ইন্ডিয়া। রবিবার টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন ভারতের ওডিআই অধিনায়ক শুভমন। ব্যাট হাতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুই ওপেনার জাস্টিন গ্রিভস এবং জন ক্যাম্পবেল দুর্দান্ত সূচনা করেন। ভারতের পেসারদের অনায়াসে খেলে প্রথম ২০ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে ১৩৫ রান তোলে সফরকারীরা। ক্যাম্পবেল ৬২ রান করে আউট হলেও, জাস্টিন গ্রিভস তাঁর ওডিআই ক্যারিয়ারের অনবদ্য প্রথম সেঞ্চুরি (১০১ রান) তুলে নেন।মাঝের ওভারে কুলদীপের স্পিন জাদু ভারতকে খেলায় ফেরায়। ক্যারিবিয়ানরা একসময় বড় স্কোরের দিকে এগোলেও কুলদীপ ম্যাচে ভারতের নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে আনেন। ১০ ওভারে মাত্র ৪০ রান দিয়ে একাই ৪টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেন তিনি। কুলদীপের এই মারাত্মক স্পিন স্পেলের কারণে ওয়েস্ট ইন্ডিজের রানের গতি থমকে যায়। শেষদিকে আমির জাঙ্গুর ৪৩ বলে অপরাজিত ৫৮ রানের ঝোড়ো ইনিংসের সৌজন্যে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ২৯৫ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর খাড়া করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
২৯৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারতের শুরুটা দারুণ হয়। অধিনায়ক শুভমন এবং রান-মেশিন কোহলি ক্যারিবিয়ান বোলারদের ওপর সম্পূর্ণ আধিপত্য বিস্তার করেন। শুভমন শুরুতে জীবন ফিরে পেয়ে অধিনায়ক হিসেবে একটি দায়িত্বশীল সেঞ্চুরি উপহার দেন।অন্যদিকে, কোহলি তাঁর স্বভাবসিদ্ধ আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে ব্যাটিং করে ওডিআই ক্যারিয়ারের ৫৫তম সেঞ্চুরি (আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৮৬তম সেঞ্চুরি) হাঁকান। এই ইনিংসের ফলে কোহলি ওডিআই ক্রিকেটে ১৫ হাজার রানের মাইলফলকও স্পর্শ করেন। শেষ পর্যন্ত ৪১.৪ ওভারে মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে ২৯৮ রান তুলে ম্যাচটি একতরফাভাবে জিতে নেয় ভারত। হিটম্যান রোহিত শর্মা করেন ৩২। কুলদীপ ম্যাচের নায়ক নির্বাচিত হন।


