৭৭ মিনিটে পেনাল্টি দাবিতে তিন দফা ধোলাই হন রেফারি বিশ্বজিৎ দেব। খেলতে অস্বীকার করে ব্লাডমাউথ ক্লাব। ফলে এগিয়ে চলোর বিরুদ্ধে লড়াই অসম্পূর্ণ থেকে যায়। রেফারি বাঁশি বাজানোর পর মাঠ রণক্ষেত্রের রূপ নেয়। মাঠে নামে পুলিশ। ফুটবলার, কর্মকর্তা, রেফারি আর পুলিশের সম্মিলিত খণ্ড যুদ্ধ চলে। ২০ মিনিটের হয় ড্রামা পর পরিস্থিতি শান্ত হয়।
উমাকান্ত মিনি স্টেডিয়ামে রবিবারের হাই ভোল্টেজ লড়াই-এ এগিয়ে চলো জয় ছিনিয়ে খেতাব দখলের দৌড়ে রয়ে গেলো। প্রথমার্ধের ১০ মিনিটে সরোখাইবাম মেইতেই-এর গোলে এগিয়ে ছিল মেলারমাঠের ক্লাবটি। ৭৭ মিনিটে ব্লাড মাউথের এক পেনাল্টির দাবি রেফারি নাকচ করলে শুরু হয় প্রতিবাদ। ব্লাডের ফুটবলাররা রেফারিদের ঘিরে ধরে ধাক্কামুক্কি করেন। পরে রেফারি কার্ড দেখলে আরও এক দফা ধোলাই হন। এর পর দীর্ঘ প্রায় ৪০ মিনিট অপেক্ষা করেন রেফারিরা। ব্লাড মাউথ খেলতে অস্বীকার করলে রেফারি বাঁশি বাজান। আর এতেই ক্ষেপে গিয়ে ব্লাডের ফুটবলাররা ও কর্মকর্তারা চড়াও হন রেফারির উপর। পুলিশ মাঠে ঢুকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন রেফারিদের। মাঠ রণক্ষেত্রের রূপ নেয়। বেশ কিছুটা সময় ধস্তাধস্তি চলার পর পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন।
ব্লাড মাউথ এই ম্যাচে না খেলায় এগিয়ে চলো জয় পায়। আর খেলতে অস্বীকার করায় আইন অনুযায়ী দুই গোল ও তিন পয়েন্ট পায়।


